মধ্যম 03: স্বরযন্ত্র ওঠানো ও নামানো (G + “n”) + জিহ্বা বের করা

INTERMEDIATE COURSE · LESSON 03

স্বরযন্ত্র ওপরে-নিচে নাড়ানো (G+mmm)+জিভ বের করা

জিভের ডগা বাইরে রেখেও স্বরযন্ত্রের উচ্চতা ও “mmm” ধ্বনির রং স্বাধীনভাবে নিয়ন্ত্রণ করব।

স্বরযন্ত্রভিডিও 1নমুনা অডিও 3

▶ প্রথমে ভিডিওতে নড়াচড়া দেখুন
কীভাবে করতে হয় তা দেখে ব্যাখ্যা ও নমুনা অডিওতে যান।

ইউটিউব শর্টস শর্ট ভিডিও
【মধ্যম03】স্বরযন্ত্র ওঠানো-নামানো (G+mmm)+জিভ বাইরে বের করাYouTube-এ খুলুন ↗
01

WHY THIS LESSON

এই অনুশীলনটি করার কারণ

যা করতে শিখবেন জিভের ডগা বাইরে বের করে রাখলেও স্বরযন্ত্রের উচ্চতা ও “mmm” ধ্বনির গুণমান স্বাধীনভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন।

এবার জিভ ও স্বরযন্ত্র স্বাধীনভাবে নাড়ানোর অনুশীলন করব।

এই অনুশীলনে জিভ ও স্বরযন্ত্রের নড়াচড়ার পার্থক্য বুঝতে শিখবেন—যেগুলো সহজে এক বলে ভুল হয়। জিভের বাধায় নড়াচড়ার সীমা কমে যাওয়া স্বরযন্ত্রকে আরও স্বাধীনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

02

LESSON GUIDE

অনুশীলনের বিষয়বস্তু ও মূল বিষয়সমূহ

স্বরযন্ত্র ওপরে-নিচে নাড়ানো (G+mmm)+জিভ বের করা মিলিয়ে অনুশীলনের পদ্ধতি

শিক্ষক

সামনের দাঁত দিয়ে আলতো কামড়ানোর মতো করে জিভের ডগা মুখের বাইরে রেখে, স্বরযন্ত্রের উচ্চতা ও স্বরের রঙের 3 ধরন অনুশীলন করব।

মাইক্রোফোন ধরা

শিক্ষক

জিভের ডগায় আলতো কামড় দিয়ে, মুখ থেকে যেন স্বর বেরিয়ে না যায় খেয়াল রেখে নাক দিয়ে “mmm” বলুন। (এ অবস্থাই এই প্রশিক্ষণে “স্বরযন্ত্রের উচ্চতার ভিত্তি” হবে।)

নির্দেশক ছড়ি ধরে আছে

প্রশ্ন জাগছে

শিক্ষার্থী

আলতো কামড়ানোর সময় জিভের ডগা কেঁপে ওঠে। এভাবেই অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ায় কি সমস্যা নেই? নাকি একবার পরিচিতি বা প্রাথমিক স্তরে ফিরে গিয়ে তারপর এই অনুশীলনে ফেরা ভালো?

শিক্ষক

হ্যাঁ, সমস্যা নেই! জিভ কেঁপে ওঠা বা খুব টানটান হওয়া দৈনন্দিন স্বর বের করা ও বাতাস ছাড়ার অভ্যাস প্রকাশ পাওয়ার লক্ষণও বটে—“জিভ ভেতরে টেনে অতিরিক্ত বাতাসের জোর আটকে রাখি!” এমনভাবে। অবশ্যই এই স্বরযন্ত্রের অনুশীলন এবং পরিচিতি ও প্রাথমিক পর্যায়ের অনুশীলন পালা করে করলে বিভিন্ন অঙ্গ আরও স্বাধীনভাবে একসঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখবেন। তখন অঙ্গগুলো নিয়ন্ত্রণ করে জিভ ভেতরে না টেনেও ইচ্ছামতো “কম চাপের উপযুক্ত বাতাসের পরিমাণ” তৈরি করতে পারবেন এবং জিভ কেঁপে ওঠাও ক্রমে কমে যাবে!

চিন্তা

শিক্ষক

“স্বরযন্ত্র স্বাভাবিক অবস্থানে ও পাথরের স্বর (mmm)”-এর তুলনায় মুখ ও গলায় মোটা নল বসানোর মতো বেশি জায়গা রেখে “mmm” বলুন। নিজের উচ্চতা প্রায় আরও 10m বেড়েছে এমন দৈত্যের মতো গভীর, মোটা ও ভারী স্বর হলেই ঠিক আছে। ※এ সময় জিভের ডগা যেন নিচের দাঁতের পেছন থেকে না সরে, খেয়াল রাখুন।

থাম্বস-আপ দেখাচ্ছে

শিক্ষক

“স্বরযন্ত্র নিচে নামিয়ে পাথরের স্বর (mmm)”-এর বিপরীতে, মুখ ও গলার ফাঁকা জায়গা কমাতে “জিভের ডগা থেকে গোড়া পর্যন্ত পুরো পৃষ্ঠ তালুতে লাগিয়ে” রেখে “mmm” বলুন। কয়েক দশ সেন্টিমিটার উচ্চতার ক্ষুদ্র মানুষের মতো তীক্ষ্ণ, ঝনঝনে উঁচু স্বর বের করতে পারলেই ঠিক আছে!

নির্দেশক ছড়ি ধরে আছে

03

LISTEN & TRY

নমুনা অডিও শুনুন এবং একবার চেষ্টা করে দেখুন

আওয়াজ কম রাখুন এবং নমুনাগুলো এক এক করে বাজিয়ে স্বরের পার্থক্য পরীক্ষা করুন।

※স্বরযন্ত্র স্বাভাবিক অবস্থানে রেখে পাথরের স্বর (mmm)নমুনা অডিও
※স্বরযন্ত্র নিচে নামিয়ে পাথরের স্বর (mmm)নমুনা অডিও
※স্বরযন্ত্র ওপরে তুলে পাথরের স্বর (mmm)নমুনা অডিও